প্রকাশিত: Thu, Mar 9, 2023 2:54 PM আপডেট: Mon, Jan 26, 2026 5:56 PM
সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়
সমুদ্র সম্পদ ব্যবহার করা গেলে দেশের অর্থনীতি ২৪ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে
রাশিদুল ইসলাম, সেন্ট মার্টিন থেকে ফিরে: গত ৫ দশকের বেশি সময়ে বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার আনুমিক ১.৫২ ট্রিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। সমুদ্র সীমা জয়ের পর বাংলাদেশের আয়তন দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেলেও ২৪ ট্রিলিয়ন ডলারের সমুদ্র সম্পদ ব্যবহার করা এখনো সম্ভব হচ্ছে না। সরকারের একার পক্ষে এ সম্পদ আহরণ করা সম্ভব নয় বলে মনে করেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিট) মো. খুরশেদ আলম। সেন্ট মার্টিনে সিন্দবাদ এক্সপেরিয়েন্স রিসোর্টে ইকোনমিক রিপোর্টার্স আয়োজিত ‘ব্লু ইকোনমি এন্ড ব্লু ট্যুরিজম’ বিষয়ে আবাসিক প্রশিক্ষণে তিনি একথা বলেন।
২০৩৭ সালের মধ্যে ১৯১টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ২০তম বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হবে, এমনটি বলা হলেও মো. খুরশেদ আলম মনে করেন বিষয়টি অতটা সহজ নয়। তিনি বলেন, বিশে^র সবচেয়ে বড় শিপব্রেকিং শিল্প বাংলাদেশে এবং এ খাত থেকে বর্জ্য শুধু নদী বা সমুদ্র দূষণ করছে না, ক্যান্সার ভয়াবহ রকমে বেড়ে গেছে। সমুদ্র সম্পদ ব্যবহার করে থাইল্যান্ড বছরে ৯ আর ইন্দোনেশিয়া ১২ বিলিয়ন ডলার আয় করলেও বাংলাদেশের আয় হয় এখাতে সাড়ে ৪শ মিলিয়ন ডলার।
তিনি বলছেন, একক কারো প্রচেষ্টায় ব্লু ইকোনমি গড়ে তোলা সম্ভব নয়। এরজন্যে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। গার্মেন্টস খাতে যত সহজে বিনিয়োগকারীরা এগিয়ে আসছে সমুদ্র সম্পদ আহরণে তা হচ্ছে না। ২০১৪ সালের ৭ জুলাই বাংলাদেশ ভারতের বিপক্ষে আইনি লড়াইয়ে ১ লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গ কিলোমিটার সমুদ্রভূমির অধিকার অর্জন করে। আদালতে যাওয়ার আগে এ সমুদ্র সীমা ছিল মাত্র ১শ মাইল। এখন বাংলাদেশের সমুদ্র ভূমির পরিমান দাঁড়িয়েছে ৮১ শতাংশ। অথচ নদী ভূমির পরিমান মাত্র ১৫ হাজার বর্গ কিলোমিটার। কিন্তু এখনো বাংলাদেশ গভীর সমুদ্র থেকে মাছ আহরণের সক্ষমতা অর্জন করেনি।
মো. খুরশেদ আলম বলেন, বাংলাদেশ জাহাজে পণ্য আমদানি ও রফতানি হয় ১২০ বিলিয়ন ডলারের। হাজার পাঁচেক জাহাজে এসব পণ্য ভাড়া বাবদ পরিশোধ করতে হয় ৯ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশের মালিকানায় মাত্র ৮২টি জাহাজ রয়েছে। বিনিয়োগকারীরা ‘শর্টটার্ম’ লাভের জন্যে এখাতে এগিয়ে আসতে চান না। জাহাজের ব্যবসায় মাত্র দশমিক ৮৪ শতাংশ মালিকানা বাংলাদেশিদের। আড়াই শতাংশ মাছ আহরণ করতে পারি। জালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে জাহাজ ব্যবসা প্রায় বন্ধের পথে। একটি জাহাজ সমুদ্রে ভাসাতে ১৬টি মন্ত্রণালয়ের অনাপত্তি সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতে হয়।
উন্নত বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার সময়েও বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নের শক্তিশালী ট্র্যাক রেকর্ড রয়েছে। একটি শক্তিশালী জনসংখ্যাগত লভ্যাংশ, শক্তিশালী তৈরি পোশাক (আরএমজি) রপ্তানি, স্থিতিস্থাপক রেমিট্যান্স প্রবাহ এবং স্থিতিশীল সামষ্টিক অর্থনৈতিক অবস্থা গত দুই দশক ধরে দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে সমর্থন করেছে। কিন্তু কোভিড পরবর্তী বিশ^ব্যাপী ব্যাপক মূল্যস্ফীতি, জালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ও ইউক্রেন যুদ্ধ, রেমিটেন্স প্রবাহ হ্রাস পাওয়া অর্থনীতিতে নতুন খাত সৃষ্টি জরুরি হয়ে পড়েছে। সম্পাদনা: সালেহ্ বিপ্লব
আরও সংবাদ
[১]সরকার ধৈর্য্য ধরলেও সন্ত্রাসীরা দেশের অনেক জায়গায় তাণ্ডব চালিয়েছে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
[১]রাজধানীর মোড়ে মোড়ে আওয়ামী লীগের জমায়েত
[১]আন্দোলনকারীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে এনায়েতপুর থানায় হামলা চালায় [২]সারাদেশে পুলিশের অনেক স্থাপনা আক্রান্ত
[১]সুশাসন নিশ্চিতে রাষ্ট্রকাঠামো ঢেলে সাজানোসহ ১১ দফা দাবি টিআইবি’র
[১]ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে: হাইকোর্ট
[১]রাষ্ট্রীয় সম্পদ ধ্বংসসহ নৈরাজ্যকারীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
[১]সরকার ধৈর্য্য ধরলেও সন্ত্রাসীরা দেশের অনেক জায়গায় তাণ্ডব চালিয়েছে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
[১]রাজধানীর মোড়ে মোড়ে আওয়ামী লীগের জমায়েত
[১]আন্দোলনকারীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে এনায়েতপুর থানায় হামলা চালায় [২]সারাদেশে পুলিশের অনেক স্থাপনা আক্রান্ত
[১]সুশাসন নিশ্চিতে রাষ্ট্রকাঠামো ঢেলে সাজানোসহ ১১ দফা দাবি টিআইবি’র
[১]ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে: হাইকোর্ট